তারেক রহমান - চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও
সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে সকল বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী বাতিল বা রহিত করা হবে এবং অত্যাবশ্যকীয় সাংবিধানিক সংস্কার করা হবে।
প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর করার লক্ষ্যে একটি 'ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কমিশন' গঠন করা হবে।
মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হবে।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নির্বাহী ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা হবে।
পরপর দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।
বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে।
সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুবিধার্থে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং অবাধ নির্বাচনী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
সকল সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনর্গঠন করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
জুডিশিয়াল কমিশন গঠন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।
দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জনকল্যাণমুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে।
গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন মিডিয়া কমিশন গঠন করা হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং সংবিধান অনুযায়ী 'ন্যায়পাল' নিয়োগ করা হবে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা এবং সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে।
'ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার' - এই নীতির ভিত্তিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।
শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতে দুর্নীতি বন্ধ করে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা হবে।
জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমতার ভিত্তিতে বৈদেশিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে।
প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক, স্মার্ট ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা হবে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
বেকার সমস্যা সমাধান ও যুব উন্নয়নে আধুনিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
কর্মমুখী ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।
'সবার জন্য স্বাস্থ্য' নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাতের আমূল সংস্কার করা হবে।
কৃষকের পণ্যের ন্যায্য মূল্য এবং কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা হবে।
সড়ক, রেল ও নৌপথের আধুনিকায়ন ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
পরিকল্পিত নগরায়ন এবং সবার জন্য আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।