ঠাকুরগাঁও-৩
(পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল)
জাহিদুর রহমান জাহিদ - গণমানুষের অধিকার ও সুষম উন্নয়নের রূপকার।
BNP মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী
বছরের রাজনৈতিক জীবন
জাহিদুর রহমান জাহিদ পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একজন দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী সংগঠক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠার শুরুর সময় থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।
স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের সময় যখন বিএনপির অনেক নেতা রাজনৈতিক চাপ ও সুবিধাবাদের কারণে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন, তখন জাহিদুর রহমান জাহিদ কোনো দ্বিধা ছাড়াই জাতীয়তাবাদী আদর্শের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন হলো- “জাতীয়তাবাদ মানে শুধু রাষ্ট্র নয়, মানুষের মর্যাদা ও জীবনের নিরাপত্তা।”
তিল তিল করে তৃণমূল থেকে দলকে সুসংগঠিত করেছেন।
কঠিন দুঃসময়েও দলের হাল ছাড়েননি, আপসহীন থেকেছেন।
দেখুন আমাদের ক্যাম্পেইন ভিডিও এবং ফেসবুক আপডেটসমূহ
ফেসবুক কন্টেন্ট লোড হচ্ছে...
আমাদের সাথে জনসভায় যোগ দিন এবং আপনার কথা আমাদের সামনে তুলে ধরুন।
বর্তমানে কোনো ইভেন্ট নেই।
ঠাকুরগাঁও–৩ (পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল)
এই অঞ্চল পৃথিবীর অন্যতম উর্বর ভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। এটা কোনো কবিত্ব নয়, এটা ভূগোলের সত্য। পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল সেই অ্যালুভিয়াল বেল্টের অংশ, যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাটি নিজেই উৎপাদনের শক্তি তৈরি করেছে। এখানে মাটি শক্তিশালী, পানি প্রাচুর্যময়, মানুষ পরিশ্রমী। এই তিনটি উপাদান একসাথে থাকলে সাধারণত একটি অঞ্চল উন্নত হয়, স্বনির্ভর হয়, অন্যের ওপর নির্ভর করে না।
তবু এখানকার মানুষ কাজের জন্য এলাকা ছাড়ে, চিকিৎসার জন্য শহরে দৌড়ায়, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকে। এই বাস্তবতা প্রমাণ করে— সমস্যা মাটিতে নয়, মানুষের মধ্যে নয়। সমস্যা পরিকল্পনায়, নীতি বাস্তবায়নে, আর দায়িত্বহীন রাজনীতিতে।
এই বৈপরীত্য কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। এটা বছরের পর বছর ভুল সিদ্ধান্ত, অসম উন্নয়ন এবং কেন্দ্রভিত্তিক চিন্তার ফল। আমি রাজনীতিতে এসেছি এই বৈপরীত্য বদলাতে। ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নয়, বরং এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে— এত সম্ভাবনার মাঝেও কেন মানুষ বঞ্চিত থাকে?
"আমি বিশ্বাস করি— ভূমি যদি উর্বর হয়, মানুষ দরিদ্র থাকতে পারে না। আর যদি থাকে, তবে সেটা মানুষের ব্যর্থতা না, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। এই ইশতেহার সেই ব্যর্থতা স্বীকার করে দায়িত্ব পালনের একটি লিখিত অঙ্গীকার।"
(আমার রাজনীতির ভিত্তি)
এই অঞ্চলের জমি দীর্ঘদিন ধরে কাগজের খেলায় বন্দি। আমি জমিকে ফিরিয়ে দিতে চাই মানুষের হাতে। কারণ জমি মানে শুধু সম্পদ না— জমি মানে নিরাপত্তা, মর্যাদা, ভবিষ্যৎ।
ভর্তুকি মানুষকে বাঁচায় সাময়িকভাবে। কাজ মানুষকে দাঁড় করায় স্থায়ীভাবে। আমি স্থায়ী সমাধানের রাজনীতি করি।
সীমান্ত যদি রাষ্ট্রের চোখে শুধু নিরাপত্তা সমস্যা হয়, তবে মানুষ সেখানে অপরাধের দিকে যাবে। আমি সীমান্তকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা হিসেবে দেখি।
যুবসমাজকে বাদ দিয়ে কোনো উন্নয়ন টেকে না। কারণ তারাই আগামী রাষ্ট্র।
সহাবস্থান এখানে কোনো স্লোগান না। এটা বাস্তবতা। রাষ্ট্রকে এই বাস্তবতাকে শক্ত করতে হবে।
চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপত্তা— এসবের জন্য মানুষ যেন হাত না পাতে।
জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে হিসাব দেওয়ার সাহস এই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।
ক্যাম্পেইনের সর্বশেষ কার্যক্রম সম্পর্কে জেনে নিন
লোড হচ্ছে...
Policy-grounded | Vision-driven | Region-specific
পীরগঞ্জে সুগার মিলের নামে অধিগ্রহণ করা জমি একটি প্রতীকী সমস্যা। আমি চাই স্বাধীন ভূমি অডিট, উৎপাদনহীন অধিগ্রহণ বাতিল, এবং জমিকে আবার উৎপাদনশীল অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনা।
পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল আলাদা করে ভাবলে ভুল হবে। এই অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে বৃহত্তর দিনাজপুরের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির কেন্দ্র। এখানে দরকার regional planning।
যতদিন কৃষক শুধু কাঁচামাল বিক্রি করবে, ততদিন সে দরিদ্রই থাকবে। প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও ব্র্যান্ডিং— এই তিন ধাপেই কৃষি প্রকৃত অর্থে শক্ত হয়।
নীতি আলাদা আলাদা হলে উন্নয়ন টেকে না। আমি চাই এই তিন খাত এক ছাতার নিচে পরিকল্পিত হোক।
অবৈধ বাণিজ্য রাষ্ট্রের দুর্বলতার ফল। বৈধ সুযোগ দিলে মানুষ অবৈধ পথে যাবে না।
এতে নিরাপত্তা বাড়ে, রাজস্ব আসে, অপরাধ কমে।
মাদক সমস্যার মূল কারণ বেকারত্ব ও প্রান্তিকতা। সমাধান তাই বিকল্প জীবিকা।
সীমান্ত অঞ্চলের তরুণরা যদি বৈশ্বিক বাজারে যুক্ত হয়, তাহলে shadow economy ভেঙে পড়ে।
এই অঞ্চলের তরুণরা বোঝা নয়। সঠিক বিনিয়োগে তারাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
খেলার মাঠ অপরাধের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষেধক।
সংস্কৃতি ছাড়া সমাজ চিন্তাশূন্য হয়, আর চিন্তাশূন্য সমাজ সহজে উগ্র হয়।
সহাবস্থান শুধু মনোভাব না, এটা পরিকল্পনা চায়।
মানুষের মর্যাদা মৃত্যু পর্যন্ত থাকে।
এই বৈষম্য শুধরানো নীতিগত দায়িত্ব।
রাস্তা মানে বাজার, শিক্ষা, চিকিৎসা।
নারী এগোলে পরিবার এগোয়, পরিবার এগোলেই সমাজ দাঁড়ায়।
ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই ভবিষ্যৎ।
সুস্থ মানুষই অর্থনীতি চালায়।
এই মাটি ধ্বংস মানে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি।
বড় অর্থনীতি দাঁড়ায় ছোট ব্যবসার উপর।
উত্তরবঙ্গ মানে सिर्फ ভোট নয়, এটা strategic geography।
তৃণমূল থেকে উন্নয়ন
"এই ইশতেহার কোনো আবেগের লেখা না। এটা একটি অঞ্চলের ভূগোল, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ একসাথে পড়ে নেওয়ার ফল। এখানে কথা বলা হয়েছে স্থানীয় মানুষের জন্য, কিন্তু চিন্তা করা হয়েছে জাতীয় স্তরে।"
আপনার কোনো জিজ্ঞাসা, পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে নিচের ফর্মটি পূরণ করে পাঠান। আমাদের টিম দ্রুত আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
info@jahidurrahmanvision.com
পীরগঞ্জ বাজার, ঠাকুরগাঁও