Background
ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল)

পরিবর্তনের পথে
একটি অঙ্গীকার

জাহিদুর রহমান জাহিদ - গণমানুষের অধিকার ও সুষম উন্নয়নের রূপকার।

আমাদের সাথে যুক্ত হোন ভিশন ২০২৬ দেখুন

জাহিদুর রহমান জাহিদ

BNP মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী

Zahidur Rahman

৪৪+

বছরের রাজনৈতিক জীবন

আমাদের নেতা

জাহিদুর রহমান জাহিদ: জনমানুষের কণ্ঠস্বর

জাহিদুর রহমান জাহিদ পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একজন দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী সংগঠক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠার শুরুর সময় থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।

স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের সময় যখন বিএনপির অনেক নেতা রাজনৈতিক চাপ ও সুবিধাবাদের কারণে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন, তখন জাহিদুর রহমান জাহিদ কোনো দ্বিধা ছাড়াই জাতীয়তাবাদী আদর্শের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন হলো- “জাতীয়তাবাদ মানে শুধু রাষ্ট্র নয়, মানুষের মর্যাদা ও জীবনের নিরাপত্তা।”

সাংগঠনিক দক্ষ নেতা

তিল তিল করে তৃণমূল থেকে দলকে সুসংগঠিত করেছেন।

স্বৈরাচারবিরোধী

কঠিন দুঃসময়েও দলের হাল ছাড়েননি, আপসহীন থেকেছেন।

মিডিয়া ও প্রচার সেল

দেখুন আমাদের ক্যাম্পেইন ভিডিও এবং ফেসবুক আপডেটসমূহ

ইউটিউব ভিডিও

ফেসবুক আপডেট

ফেসবুক কন্টেন্ট লোড হচ্ছে...

আসন্ন ক্যাম্পেইন ইভেন্ট

আমাদের সাথে জনসভায় যোগ দিন এবং আপনার কথা আমাদের সামনে তুলে ধরুন।

সহযোগিতা দরকার?

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিতে পারছেন না? আমাদের সরাসরি কল করুন।

সরাসরি ডায়াল

বর্তমানে কোনো ইভেন্ট নেই।

জনগণের কাছে জাহিদুর রহমান

একটি দায়বদ্ধ ইশতেহার

ঠাকুরগাঁও–৩ (পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল)

এই অঞ্চল পৃথিবীর অন্যতম উর্বর ভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। এটা কোনো কবিত্ব নয়, এটা ভূগোলের সত্য। পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল সেই অ্যালুভিয়াল বেল্টের অংশ, যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাটি নিজেই উৎপাদনের শক্তি তৈরি করেছে। এখানে মাটি শক্তিশালী, পানি প্রাচুর্যময়, মানুষ পরিশ্রমী। এই তিনটি উপাদান একসাথে থাকলে সাধারণত একটি অঞ্চল উন্নত হয়, স্বনির্ভর হয়, অন্যের ওপর নির্ভর করে না।

তবু এখানকার মানুষ কাজের জন্য এলাকা ছাড়ে, চিকিৎসার জন্য শহরে দৌড়ায়, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকে। এই বাস্তবতা প্রমাণ করে— সমস্যা মাটিতে নয়, মানুষের মধ্যে নয়। সমস্যা পরিকল্পনায়, নীতি বাস্তবায়নে, আর দায়িত্বহীন রাজনীতিতে।

এই বৈপরীত্য কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। এটা বছরের পর বছর ভুল সিদ্ধান্ত, অসম উন্নয়ন এবং কেন্দ্রভিত্তিক চিন্তার ফল। আমি রাজনীতিতে এসেছি এই বৈপরীত্য বদলাতে। ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নয়, বরং এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে— এত সম্ভাবনার মাঝেও কেন মানুষ বঞ্চিত থাকে?

"আমি বিশ্বাস করি— ভূমি যদি উর্বর হয়, মানুষ দরিদ্র থাকতে পারে না। আর যদি থাকে, তবে সেটা মানুষের ব্যর্থতা না, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। এই ইশতেহার সেই ব্যর্থতা স্বীকার করে দায়িত্ব পালনের একটি লিখিত অঙ্গীকার।"

সাতটি মৌলিক অঙ্গীকার

(আমার রাজনীতির ভিত্তি)

১. ভূমি ও কৃষিতে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা

এই অঞ্চলের জমি দীর্ঘদিন ধরে কাগজের খেলায় বন্দি। আমি জমিকে ফিরিয়ে দিতে চাই মানুষের হাতে। কারণ জমি মানে শুধু সম্পদ না— জমি মানে নিরাপত্তা, মর্যাদা, ভবিষ্যৎ।

২. কাজের রাজনীতি, ভর্তুকির রাজনীতি নয়

ভর্তুকি মানুষকে বাঁচায় সাময়িকভাবে। কাজ মানুষকে দাঁড় করায় স্থায়ীভাবে। আমি স্থায়ী সমাধানের রাজনীতি করি।

৩. সীমান্তকে সমস্যা নয়, শক্তিতে রূপান্তর

সীমান্ত যদি রাষ্ট্রের চোখে শুধু নিরাপত্তা সমস্যা হয়, তবে মানুষ সেখানে অপরাধের দিকে যাবে। আমি সীমান্তকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা হিসেবে দেখি।

৪. তরুণদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের কেন্দ্রে আনা

যুবসমাজকে বাদ দিয়ে কোনো উন্নয়ন টেকে না। কারণ তারাই আগামী রাষ্ট্র।

৫. সামাজিক সম্প্রীতিকে রাষ্ট্রীয় নীতি

সহাবস্থান এখানে কোনো স্লোগান না। এটা বাস্তবতা। রাষ্ট্রকে এই বাস্তবতাকে শক্ত করতে হবে।

৬. সেবা হবে অধিকার, দয়া নয়

চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপত্তা— এসবের জন্য মানুষ যেন হাত না পাতে।

৭. রাজনীতিতে জবাবদিহি ফিরিয়ে আনা

জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে হিসাব দেওয়ার সাহস এই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।

সাম্প্রতিক সংবাদ ও আপডেট

ক্যাম্পেইনের সর্বশেষ কার্যক্রম সম্পর্কে জেনে নিন

লোড হচ্ছে...

২১ দফা ইশতেহার

Policy-grounded | Vision-driven | Region-specific

১. ভূমি ব্যবস্থাপনার পূর্ণ সংস্কার: সুগার মিল প্রশ্ন

পীরগঞ্জে সুগার মিলের নামে অধিগ্রহণ করা জমি একটি প্রতীকী সমস্যা। আমি চাই স্বাধীন ভূমি অডিট, উৎপাদনহীন অধিগ্রহণ বাতিল, এবং জমিকে আবার উৎপাদনশীল অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনা।

২. Greater Dinajpur Agricultural Core ধারণা

পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল আলাদা করে ভাবলে ভুল হবে। এই অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে বৃহত্তর দিনাজপুরের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির কেন্দ্র। এখানে দরকার regional planning।

৩. কৃষিকে subsistence থেকে value-chain economy-তে রূপান্তর

যতদিন কৃষক শুধু কাঁচামাল বিক্রি করবে, ততদিন সে দরিদ্রই থাকবে। প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও ব্র্যান্ডিং— এই তিন ধাপেই কৃষি প্রকৃত অর্থে শক্ত হয়।

৪. ভূমি–কৃষি–শিল্পের নীতিগত সমন্বয়

নীতি আলাদা আলাদা হলে উন্নয়ন টেকে না। আমি চাই এই তিন খাত এক ছাতার নিচে পরিকল্পিত হোক।

৫. সীমান্তকে economic interface হিসেবে দেখা

অবৈধ বাণিজ্য রাষ্ট্রের দুর্বলতার ফল। বৈধ সুযোগ দিলে মানুষ অবৈধ পথে যাবে না।

৬. নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত বাণিজ্য

এতে নিরাপত্তা বাড়ে, রাজস্ব আসে, অপরাধ কমে।

৭. নারকোটিক্স সমস্যার সামাজিক সমাধান

মাদক সমস্যার মূল কারণ বেকারত্ব ও প্রান্তিকতা। সমাধান তাই বিকল্প জীবিকা।

৮. ডিজিটাল ইনকিউবেশন সেন্টার

সীমান্ত অঞ্চলের তরুণরা যদি বৈশ্বিক বাজারে যুক্ত হয়, তাহলে shadow economy ভেঙে পড়ে।

৯. জনসংখ্যাকে demographic dividend হিসেবে ব্যবহার

এই অঞ্চলের তরুণরা বোঝা নয়। সঠিক বিনিয়োগে তারাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

১০. ক্রীড়া ও যুব ক্লাবকে সামাজিক স্থিতিশীলতার হাতিয়ার

খেলার মাঠ অপরাধের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষেধক।

১১. সাংস্কৃতিক পরিসর পুনর্গঠন

সংস্কৃতি ছাড়া সমাজ চিন্তাশূন্য হয়, আর চিন্তাশূন্য সমাজ সহজে উগ্র হয়।

১২. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে অবকাঠামো দেওয়া

সহাবস্থান শুধু মনোভাব না, এটা পরিকল্পনা চায়।

১৩. মৃত্যু ব্যবস্থাপনাও রাষ্ট্রের দায়

মানুষের মর্যাদা মৃত্যু পর্যন্ত থাকে।

১৪. রাণীশংকৈল: peripheral নয়, সমান অংশীদার

এই বৈষম্য শুধরানো নীতিগত দায়িত্ব।

১৫. যোগাযোগ অবকাঠামো মানে অর্থনৈতিক প্রবেশাধিকার

রাস্তা মানে বাজার, শিক্ষা, চিকিৎসা।

১৬. নারীকে উন্নয়নের কেন্দ্রে আনা

নারী এগোলে পরিবার এগোয়, পরিবার এগোলেই সমাজ দাঁড়ায়।

১৭. শিক্ষা মানে সক্ষমতা তৈরি

ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই ভবিষ্যৎ।

১৮. স্বাস্থ্যকে উৎপাদনশীলতার প্রশ্ন হিসেবে দেখা

সুস্থ মানুষই অর্থনীতি চালায়।

১৯. পরিবেশ ও উর্বর ভূমি রক্ষা

এই মাটি ধ্বংস মানে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি।

২০. স্থানীয় ব্যবসা জাতীয় অর্থনীতির ভিত্তি

বড় অর্থনীতি দাঁড়ায় ছোট ব্যবসার উপর।

২১. উত্তরবঙ্গকে জাতীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে আনা

উত্তরবঙ্গ মানে सिर्फ ভোট নয়, এটা strategic geography।

ইউনিয়ন ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা

তৃণমূল থেকে উন্নয়ন

১ নং ভোমরাদহ ইউনিয়ন

  • রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ: ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট সংস্কার করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাজারে সহজ সংযোগ নিশ্চিত করা হবে।
  • জনবান্ধব পরিষেবা: স্থানীয় প্রশাসন ডিজিটাল ও হয়রানি-মুক্ত করে জনসেবা কার্যকর করা হবে।
  • ধর্মীয় অবকাঠামো: মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়ন ও বরাদ্দ স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
  • সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে নিশ্চিত করা হবে।

২ নং কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়ন

  • নদীভাঙন রোধ: টাংগন নদীর ভাঙন নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন কার্যক্রম নেওয়া হবে।
  • সড়ক অবকাঠামো: ইউনিয়নের প্রধান ও সহায়ক রাস্তা সংস্কার করে চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
  • রাজনৈতিক জবাবদিহি: ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
  • সম্প্রীতি রক্ষা: নির্বাচন ও সামাজিক নিরাপত্তায় সকল সম্প্রদায়ের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

৫ নং সৈয়দপুর ইউনিয়ন

  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি: কুটিরশিল্প ও মাঝারি এগ্রো-বেইসড শিল্প গড়ে স্থানীয় কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
  • পরিবেশ সংরক্ষণ: বন, শালবাগান ও স্থানীয় প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা হবে।
  • নারী ও যুব উন্নয়ন: মহিলা ও যুবক দলের কার্যক্রমে সমর্থন দিয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।
  • কমিউনিকেশন হাব: ইউনিয়নের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে লজিস্টিক ও যোগাযোগ কেন্দ্র তৈরি করা হবে।

৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়ন

  • শিক্ষা মান উন্নয়ন: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র ধরে রাখা ও মান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
  • যাতায়াত সুবিধা: অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কার করে ইউনিয়নের যাতায়াত সহজ করা হবে।
  • ধর্মীয় নিরাপত্তা: হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা ও নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত বাজেট ও বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।
  • সামাজিক সহাবস্থান: ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায় একসাথে কাজ করতে পারবে এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে।

৭ নং হাজিপুর ইউনিয়ন

  • সড়ক উন্নয়ন: বোর্ডহাট–পটুয়াপাড়া সড়ক পাকাকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন।
  • জলাশয় উদ্ধার: কাহালাই বিল ও জলাশয় পুনরুদ্ধার করে কৃষি ও ইকোসিস্টেম রক্ষা করা হবে।
  • ন্যায়বিচার: স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রদান ও সালিশি ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
  • শান্তি ও স্থিতি: স্থানীয় মানুষদের অংশগ্রহণে শান্তি ও সহাবস্থান নিশ্চিত করা হবে।

৮ নং দৌলতপুর ইউনিয়ন

  • ঐতিহ্য রক্ষা: সনাতন ও আদিবাসী পরিচয় সংরক্ষণ ও সংস্কৃতিক আয়োজন বাড়ানো হবে।
  • অবকাঠামো সংস্কার: ট্রাক্টরের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও প্রধান রাস্তা সংস্কার।
  • প্রাকৃতিক সম্পদ: বালু উত্তোলন ও অবৈধ ফসল সংগ্রহ বন্ধ করা হবে।
  • মৎস্য অভয়ারণ্য: স্থানীয় কমিউনিটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা হবে।

৯ নং সেনগাঁও ইউনিয়ন

  • নদী পুনরুদ্ধার: কাহালাই নদী ড্রেজিং ও ইরিগেশন ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা হবে।
  • জলাধার রক্ষা: কৃষি ও জল ব্যবস্থাপনায় বিল পুনরুদ্ধার করা হবে।
  • সীমান্ত বাণিজ্য: সীমান্তবর্তী এলাকায় বৈধ বাণিজ্যিক সুযোগ ও ট্রানজেকশন পয়েন্ট তৈরি।
  • কমিউনিটি উন্নয়ন: স্থানীয় ক্লাব ও কমিউনিটি কেন্দ্রকে উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা হবে।

১০ নং জাবরহাট ইউনিয়ন

  • বন্যা নিয়ন্ত্রণ: টাংগন নদীতে বাঁধ নির্মাণ ও জলবিল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
  • হাট-বাজার উন্নয়ন: জাবরহাট ও বলাইহাট হাট বাজারে অবকাঠামো ও সেড নির্মাণ।
  • অপরাধ দমন: স্থানীয় পর্যায়ে মাদক ও অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা।
  • সম্প্রীতি: সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসন ও সকল দলের সহাবস্থান নিশ্চিত করা হবে।

১১ নং বৈরচুনা ইউনিয়ন

  • নদী ও কৃষি: পতিলাবিল ও টাংগন নদীর বাঁধ নির্মাণ করে কৃষি ও জনজীবন রক্ষা।
  • ভূমি অধিকার: খাসজমির সঠিক বন্দোবস্ত ও প্রান্তিকদের অধিকার নিশ্চিত।
  • মাদক বিরোধী: মাদক ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর নজরদারি।
  • সামাজিক ন্যায়বিচার: সকল ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।

শেষ কথা

"এই ইশতেহার কোনো আবেগের লেখা না। এটা একটি অঞ্চলের ভূগোল, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ একসাথে পড়ে নেওয়ার ফল। এখানে কথা বলা হয়েছে স্থানীয় মানুষের জন্য, কিন্তু চিন্তা করা হয়েছে জাতীয় স্তরে।"

জাহিদুর রহমান মনোনীত প্রার্থী, ঠাকুরগাঁও-৩

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আপনার কোনো জিজ্ঞাসা, পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে নিচের ফর্মটি পূরণ করে পাঠান। আমাদের টিম দ্রুত আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ইমেইল করুন

info@jahidurrahmanvision.com

প্রধান কার্যালয়

পীরগঞ্জ বাজার, ঠাকুরগাঁও